Skip to content

পরজীবী তত্ত্ব রিভিউ

পরজীবী তত্ত্ব

ওয়াহেদ সবুজ এর ‘পরজীবী তত্ত্ব’ উপন্যাসটা তেঁতুল একাডেমি আটকে দিয়েছে শুনে খুবই মর্মাহত হলাম। এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একপ্রকারে, লেখকের লেখার স্বাধীনতা হরণ! কদিন পর নির্ঘাত কলমও কেড়ে নেবে।
আমার অনুভূতি নেতিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ!
মুক্ত হও, মুক্ত হও, মুক্ত হও!
কল্যাণ আসুক, শাশ্বত পথে…..

আবুল হাসনাত বাঁধন
সম্পাদক এবং এসইও ম্যানেজার, BigganNews.com
০৫/০২/২০১৮

 

ধর্মানুভূতি শব্দটা একা, কিন্তু কখনো ভদ্রলোক একা একা বসতে পারে না, তার পাশে পরগাছার মতো বসাতে হয় আরও দুইটি শব্দযুগলকে। বলতে হয়-‘ ধর্মানুভূতি আহত হচ্ছে’, অথবা বলতে হয়- ‘ধর্মানুভূতিতে লেগেছে আঘাত’। অনুভূতি হরেক রকমের হয়; হতে পারে। যৌনানুভূতি, শিল্পানুভূতি, বিবর্তনাভূতি, বামানুভূতি দক্ষিণাভূতি। অজস্র অনু-পরমাণু-সম অনুভূতি থাকলেও ভৌতিকভাবে বোঝা হয়ে একটা পশ্চাৎপদ সমাজে যে অনুভূতিটি চেপে বসে ঐতিহাসিকভাবে সর্বদা, তার নাম ধর্মানুভূতি।

এ অনুভূতি স্বভাবে বিচিত্র; কর্মে সশস্ত্র। এই অনুভূতি পশ্চাৎপদ সমাজে বটবৃক্ষের ন্যায়। এই অনুভূতি সেই সমাজের অতন্দ্র প্রহরী। এরা ঘুমায় না, এরা জেগে জেগে পাহারা দেয়; এরা আবেদনময়ী, সারাক্ষণ অপেক্ষা করে; কখন কেউ তাকে স্বল্পের উপর অল্প করে আঘাত দিবে, সে আক্রান্ত হবে, যাতে করে সমাজে উন্মাদনা তৈরি করতে পারে। তাই এই অনুভুতিকে রক্ষার দায়িত্ব সকলে নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে। এই অনুভূতিকে রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে হাটহাজারী; ‘নাস্তিক হত্যা ওয়াজিব’ বলে। দায়িত্ব নিয়েছে হেড অব দ্য গভর্নমেন্ট; ‘অনুভূতিবিরুদ্ধ লেখা পর্ন’ বলে। এই অনুভুতিকে রক্ষায় সচেষ্ট স্বৈরাচার; সচেষ্ট বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তকেরা। এই অনুভূতি কি আহত হচ্ছে অনলাইনে? আছে ৫৭ ধারা (পুরান বোতলে নতুন মদ অবশ্য এখন)। এই অনুভূতি কি আক্রান্ত হচ্ছে প্রিন্ট মিডিয়ায়? আছে বইমেলা।

ধর্মানুভূতি নামক ধর্মদণ্ডে আঘাত লাগায় সৌদি আরবে নিষিদ্ধ ছিল (হয়তো এখনও আছে) বাইবেল, লেবাননে নিষিদ্ধ দ্য_ভিঞ্চি_কোড, আরব আমিরাতের স্কুলে নিষিদ্ধ হ্যারী_পটার। বাংলাদেশে গত দুই বছর ধরে তৈরি হয়েছে কথিত ইসলামিক বইয়ের রেনেসাঁ, তিনটা বই পড়ে, দুইবার গুগল ঘেঁটে একেকজন তৈরি করছে ১৫০/২০০ পৃষ্ঠার পুস্তিকা। ‘নিউটনের সুত্রমতে, বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে; আর ভূমিকম্পে যেহেতু টেকটোনিক প্লেট নড়ে, তার মানে এই বল দেয় মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন’- এই ধরনের উদ্ভট দাবি করা লেখকদের বই বিক্রি হয় এক লক্ষ কপি, ‘হাঁচির ফলে মানুষের হার্ট বন্ধ হয়ে যায় কিছু সময়ের জন্য’ এই ধরনের সুডোসায়েন্স মার্কা বইয়ের কভার থাকে লক্ষাধিক গ্রুপের কভার ফটোতে। এ এক রঙ্গভরা বঙ্গদেশের কীর্তি।

তথাকথিত বঙ্গীয় ইসলামিক রেনেসাঁর ঠিক তখনি সুচনা বাংলাদেশে হয়েছে, যখন যুক্তিবাদী লেখকদের হত্যা করা হচ্ছে, তাদের ওয়েবসাইট ক্রমাগত ব্যান করা হচ্ছে, আইডি রিপোর্ট করা হচ্ছে, দফায় দফায় মামলা করা হচ্ছে, গ্রেফতার করা হচ্ছে, দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে, তাদের বই অনলাইন বুক শপ থেকে নামানো হচ্ছে, বইয়ের জন্য স্টল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। যুক্তিবাদী, প্রগতিবাদী লেখক-কর্মীদের ২০১৩-১৫ তে হয়েছে ডজন ডজন খুন; এসব হত্যার যে কোনো একটা ঘটনা নিয়ে হলিউডে হতে পারে অস্কারবিজয়ী বা কয়েকটা ক্যাটাগরিতে নোমিনিটেড মুভি। এই ধরনের হত্যার সাথে জড়িত মানুষগুলোর, বা সমাজের সাধারণ মানুষগুলোর এই ধরনের হত্যার পক্ষে যে পরোক্ষ সমর্থন আছে- তা নিয়ে ডকুমেন্টারি বইগুলো হতে পারতো পাশ্চাত্যে নোবেলজয়ীও। কিন্তু তাতে বঙ্গদেশের কী?

যুক্তিবাদী লেখকদের হত্যার ঘটনাকে আধার করে ওয়াহেদ সবুজ ভাই লিখেছেন ‘পরজীবী তত্ত্ব’ নামক একটি বই। সবকিছু যখন ঠিকঠাক, তখনই এই বইটিকে প্রকাশে দেওয়া হয়েছে বাধা। এই বই এবারের বইমেলায় প্রকাশ হবে না। একটি সাধারণ উপন্যাস যখন বইমেলায় প্রকাশ করতে দেওয়া হয় না, তখন সেটা কি আদৌ কোনো বইমেলা থাকে? এটা হয়ে ওঠে দলীয় অথবা ধর্মীয় শক্তির প্রশংসাসমৃদ্ধ প্রসপেক্টাস মেলা অথবা আরও খাঁটিভাবে, কিতাব মেলা। যে চিত্তরঞ্জন সাহারা মুক্তধারা প্রকাশনীর মাধ্যমে এই মেলার সূচনা করেছিলেন, সেই মুক্তধারাকে ক্রমাগত আঘাত করে চলেছে মক্তমনা, বদ্ধমনারা। আজ দিকে দিকে তাদেরই জয়ধ্বনি। তবে এই যে অবক্ষয়; তা কখনো সমান্তরাল গতিতে চলে না, সে সকল দিকে সমানভাবে আঘাত করে। ইউরোপ এগিয়েছে তখনই, যখন তারা যুক্তিকে আধার করেছে। আমেরিকা এগিয়েছে তখনই, যখন তারা বিশ্বাসকে তার মতো থাকতে দিয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়োগ দিয়েছে প্রগতিকেই। এভাবে করে যুক্তিকে করাঘাত করার, সত্যকে দ্বাররুদ্ধ করার যে অলিখিত উৎসব বাংলাদেশে শুরু হয়েছে, তার দায়ভার একদিন বাংলাদেশকে বহন করতে হবে। নিশ্চয়ই করতে হবে।

প্রত্যয় প্রকাশ
শিক্ষার্থী, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
০৭/০২/২০১৮

 

কথায় বলে, ‘সত্যের পথে শত বাধা’। আজকে যখন একজন লেখক তাঁর সর্বোচ্চ মেধা দিয়ে একটি বই লিখছেন, তখন ‘বইয়ের বিষয়বস্তু স্পর্শকাতর’ এমন অযুহাতে বইমেলায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। যদি এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে আমরা ভবিষ্যতে আর ভালো বইও পাবো না, নতুন কোনো লেখকেরও জন্ম হবে না; ধীরে ধীরে আমরা এ জাতি মেধাশক্তি হারিয়ে ফেলবো। আমরা চাই সত্যের সন্ধানে লেখকের কলম যেন থেমে না যায়।
তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে ‘পরজীবী তত্ত্ব’ কিনি এবং লেখক ওয়াহেদ সবুজ এর পাশে দাঁড়াই।

অমি ইসলাম
বেসরকারি চাকরিজীবী
০৭/০২/২০১৮

 

(উপন্যাসটির বইমেলায় প্রবেশে বাধা প্রসঙ্গে)
এই বইটি সবার কাছে পৌঁছানোটা খুব দরকার, এই বাধাই হয়তো তার প্রমাণ।

বর্ষা
শিক্ষার্থী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
০৮/০২/২০১৮

 

‘পরজীবী তত্ত্ব’ উপন্যাসটি মূলত ক্রাইম থ্রিলার। পরপর ঘটে যাওয়া কয়েকটি খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারা দেশ উত্তাল হয়ে পড়ে। সরকার ও বিরোধী দল মুখোমুখি অবস্থানে। এদিকে তদন্ত দল হিমশিম খাচ্ছে খুনের রহস্য বের করতে। হঠাৎ করেই ব্লগার, হিন্দু যুবক, থিয়েটারে কাজ করা এক যুবতী খুন হয়ে গেল। এর সাথে কারা জড়িত? ব্লগার, মুক্তমনা, নাস্তিক হত্যার পেছনে শুধুই কি ধর্মীয় মৌলবাদ দায়ী, না-কি এর পেছনে আরও অন্য কারো বা অন্য কিছুর হাত আছে? প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরেও যে দলগুলো আছে, তা হলো বামদল। তারা থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। আমরা তাই দেখছি যা আমাদের দেখানো হচ্ছে এবং তাই শুনছি যা আমাদের শোনানো হচ্ছে। এই বইটিতে ভাবনার আকাশটাকে বৃহত্তর করার চেষ্টা রয়েছে। ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখানো হয়েছে।
‘পরজীবী তত্ত্ব’ একটি থ্রিলার উপন্যাস হলেও সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর ছায়া রয়েছে এখানে। এবং এ উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্রকে বাস্তবের কয়েকজন ব্যক্তির ছায়া বলে মনে হয়েছে। মাঝখানে ধ্রুব (Dhrubo) চরিত্রটি মাথায় হাল্কা ঝিম ধরিয়ে দিচ্ছিল। তবে রহস্যের শেষটা জানার জন্যে খুব বেশি দ্রুততার সাথে পড়তে ইচ্ছে করছিল ।

ডা. রেজবুল ইসলাম
সভাপতি, আমরা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন
১৬/০২/২০১৮

 

মৌলবাদ, উগ্রবাদ, চেতনা, সমাজের পরজীবী স্বরূপ আগাছাগুলোকে লেখক সুনিপুণভাবে চপেটাঘাত করেছেন ।

মাহমুদ রনি
শিক্ষার্থী, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ,

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ
২২/০২/২০১৮

‘পরজীবী তত্ত্ব’ উপন্যাসটি একদিনে পড়ে শেষ করার ইচ্ছা ছিল না। বইটি গতকাল হাতে পেয়েছিলাম। বই সাধারণত খুঁটিয়ে-খুঁটিয়ে পড়ার অভ্যাস আমার! কিন্তু এ বইটি শেষ না-করে পারা যায়নি! পরবর্তী ঘটনা জানার আগ্রহের তৃষ্ণা সৃষ্টি করতে পেরেছেন বইয়ের লেখক। মজার জিনিস অল্প খেয়ে যেমন তৃপ্তি মেটে না, এখানেও অবস্থাটা তেমন—গল্পের চরিত্র-ঘটনাগুলো কেন আরও বড় হলো না- এমন আক্ষেপ করবেন এই বইটির অনেক পাঠক! একবারও মনে হয়নি বইটি নবীন কোনো লেখকের লেখা, যেন পাকা হাতে শৈল্পিক শৈলীতে এঁকেছেন কোনো দক্ষ শিল্পী!

স্পর্শকাতরতার অজুহাতে একুশে বইমেলায় এই বইটি ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমার ধারণা, যারা ‘পরজীবী তত্ত্ব’ এর ওপর খড়গ বসিয়েছে, তারা বইটি পড়ে দেখেনি; হয়তো কেউ কয়েক পাতা উল্টিয়ে ভাসা-ভাসা দেখে অনুমানভিত্তিক আশঙ্কা থেকে মনগড়া একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বইটি পড়ে কেউ স্পর্শকাতর হবেন বলে মনে হয় না, না পাবেন কেউ আনুভূতিক আঘাত। বরং বইমেলায় আগত সকলকে বইটা পড়ানো দরকার ছিল। আমাদের পিছিয়ে পড়া সমাজব্যবস্থায় বইটি পড়া জরুরি।
উপন্যাসটি যতই পড়ছিলাম, ততই রোমাঞ্চিত হচ্ছিলাম; প্রতিটি পরিচ্ছেদে রয়েছে চমক-রোমাঞ্চ এবং পরবর্তী পরিচ্ছেদ পড়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা সঞ্চার হয়েছে মনে । মনে হচ্ছিল- অ্যাটাক্টিভ দারুণ ছন্দে লিখিত কোনো কবিতাময় গোয়েন্দা সিরিজ, যেন প্রতিটি কবিতা আগ্রহ জাগায় পরের লাইন বা কবিতাটি পড়তে! শেষ অবধি কাহিনীর রোমাঞ্চ ধরে রাখা এবং কাহিনী ডিসক্লোজ না-করা কোনো বলিউড মুভির মতো মনে হচ্ছিল!
বইটিতে শুধু চমকপ্রদ কাহিনী দিয়ে পাতা ভারি করা হয়নি, বিশুদ্ধ জ্ঞান আহরণের উৎস সন্নিবেশিত হয়েছে। ভেঙে চুরমার করা হয়েছে কিছু বদ্ধমূল ভ্রান্তধারণা ও কুসংস্কারগুলোকে। এই বইটি শিক্ষিত-স্বল্পশিক্ষিত, জ্ঞানী-মূর্খ, পাপী-সাধু-জ্ঞানপাপী যেকোনো মানুষের জন্য উপযোগী এবং পড়া প্রয়োজন। বইটা শুধু প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার মতো না, বরং কাছের সকল অগ্রজ-অনুজদের পড়ানোর মতো একটি উপন্যাস; যেকোনো লাইব্রেরিতে রাখার মতোও একটি বই।
প্রিয় এই কবি-লেখকের আদর্শ-মতাদর্শ সম্পর্কে আগে থেকেই আমি মোটামুটি জ্ঞাত থাকায় এবং বইটির কিছু কিছু লেখা ফেইসবুকে পড়ার কারণে ধরেই নিয়েছিলাম বইটির প্রসঙ্গ কেমন হবে এবং আশাহত হবো না। কিন্তু সত্যি বলতে কী, আমার পূর্বধারণার থেকেও অনেক বেশি জ্ঞানগর্ভ বিষয় সন্নিবেশিত হয়েছে বইটিতে।
ঠিক এ রকম একটি বই অন্য কোনো নবীন লেখক লিখলে দ্বিগুণ পৃষ্ঠা খরচ করতেন- তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। প্রশাংসাটুকু কোনো তোষামোদ থেকে নয়, লেখকের প্রাপ্য।
বইটি ছড়িয়ে পড়ুক। বই পড়ায় অনভ্যস্তরাও এই বইটি পড়তে পারেন। বইটির জন্য শুভকামনা রইলো।

মাসুদ খান
আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ.
২৭/০২/২০১৮

ওয়াহেদ সবুজ এর উপন্যাস ‘পরজীবী তত্ত্ব’ আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। ভিন্ন ধরনের লেখা ও খুব সাজানো-গোছানো। গল্পের একেবারে শুরু থেকেই রহস্যের স্বাদ। ভালো একটা বই কিছুদূর পড়ার পর পুরোটা পড়ে ফেলার যে ইচ্ছা ও আগ্রহ পাঠকের মনে তৈরি হয়, ঠিক তেমনটাই সৃষ্টি করতে সক্ষম এ উপন্যাসটি। সবশেষে বলবো, অনেক অনেক ভালো একটা লেখা পড়লাম।

মেহের মোহাম্মদ নাইম
সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, মাহবুব ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেড
০৩/০৩/২০১৮


‘মায়েরা কখনো কষ্ট পুষে রাখেন না; তাঁদের ভাণ্ডারে থাকে অসংখ্য ক্ষমাফুল। সে ফুলের ভাণ্ডার কখনোই শূন্য হয় না, কখনোই না।’
বইয়ের সবচেয়ে ভালো লাগা কথা এইটা। উপন্যাসটি ভালো লেগেছে। ব্যতিক্রমী লেখা, এবং লেখকের নিজস্ব স্টাইলের পরিচয় মেলে।
মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
শিক্ষার্থী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
১৯/০৯/২০১৮

Copyright © 2020. All Rights Reserved.